প্রশ্নের বর্ণনা

a অনাবিল-অপচয়
b অতিকায়-বৃহদাকার
c বন্ধন-বিষাদ
d চাক্ষুস-অগোচর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাক্ষুস-অগোচর ১. কেন সঠিক: - চাক্ষুস শব্দের অর্থ যা চোখের সামনে দৃশ্যমান বা প্রত্যক্ষ, এবং অগোচর শব্দের অর্থ যা চোখের অন্তরালে বা অদৃশ্য। - এই দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করায় এটি সঠিক বিপরীত শব্দ যুগল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং প্রসঙ্গের মিল থাকা আবশ্যক। - বিশেষ্য বা বিশেষণের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ গঠনের সময় পদের ধরন বা ভাব বজায় রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকাশ-গোপন ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন শব্দের অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তাই এরা পরস্পর বিপরীতার্থক। উদাহরণ ২: প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ব্যাখ্যা: প্রত্যক্ষ অর্থ যা সরাসরি দেখা যায় এবং পরোক্ষ অর্থ যা সরাসরি দেখা যায় না, তাই এরা একে অপরের বিপরীত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনাবিল-অপচয় — অনাবিল শব্দের বিপরীত শব্দ আবিল, এবং অপচয় শব্দের বিপরীত শব্দ মিতব্যয়িতা বা সঞ্চয়, তাই এটি ভুল। B) অতিকায়-বৃহদাকার — অতিকায় এবং বৃহদাকার উভয় সমার্থক শব্দ, এরা একে অপরের বিপরীত শব্দ নয়। C) বন্ধন-বিষাদ — বন্ধন শব্দের বিপরীত শব্দ মুক্তি, এবং বিষাদ শব্দের বিপরীত শব্দ আনন্দ, তাই এই যুগল সঠিক নয়। D) চাক্ষুস-অগোচর — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ যুগল কারণ চাক্ষুস অর্থ দৃশ্যমান এবং অগোচর অর্থ অদৃশ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের সাথে অর্থের গভীরতা মিলিয়ে দেখতে হবে। - চোখের সামনে যা থাকে তা চাক্ষুস, আর যা চোখের আড়ালে থাকে তা অগোচর, এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীত শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই সতর্ক থাকতে হবে। - মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0