প্রশ্নের বর্ণনা

a দেনা-পাওনা
b পল্লী-সমাজ
c চরিত্রহীন
d মন্দির
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মন্দির ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম মুদ্রিত বা প্রকাশিত রচনা হলো 'মন্দির' নামক ছোটগল্প। ১৯০৩ সালে কুন্তলীন পুরস্কার প্রতিযোগিতায় এই গল্পটি প্রথম পুরস্কার লাভ করে এবং মুদ্রিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'বড়দিদি' এবং প্রথম মুদ্রিত রচনা এই 'মন্দির' গল্পটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বড়দিদি। ব্যাখ্যা: এটি ভারতী পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে ঔপন্যাসিক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক ট্র্যাজেডির এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেনা-পাওনা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, তার প্রথম মুদ্রিত রচনা নয়। B) পল্লী-সমাজ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গ্রামীণ সমাজের বৈষম্য নিয়ে রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস। C) চরিত্রহীন — এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিতর্কিত ও জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে। D) মন্দির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা মনে রাখার কৌশল হলো, পূজার জন্য মানুষ প্রথমে মন্দিরে যায়, তাই তার প্রথম রচনা 'মন্দির'। প্রকাশকাল বা পুরস্কারের সাল মনে রাখতে কুন্তলীন পুরস্কার প্রাপ্তির সাল ১৯০৩ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম রচনা, প্রথম উপন্যাস বা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। লেখকদের প্রথম সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে কমন পাওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0