প্রশ্নের বর্ণনা

a বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
b একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
c উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
d ভাষা আন্দোলন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - আবুল ফজল ছিলেন ১৯২৬ সালে গঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর অন্যতম প্রধান প্রবক্তা এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অগ্রগামী লেখক। - এই আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৬ সালে ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র ছিল 'শিখা' পত্রিকা। - এই আন্দোলনের প্রধান বুদ্ধিজীবী ও সংগঠক ছিলেন কাজী আব্দুল অদুদ ও আবুল হুসেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবুল ফজলের বিখ্যাত উপন্যাস 'চৌচির'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তার সমাজসচেতনতা ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার মুক্তবুদ্ধি ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ আবুল ফজল এই আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। B) একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ — আবুল ফজল মুক্তিযুদ্ধে পরোক্ষভাবে সমর্থন ও লেখালেখি করলেও তিনি এই আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। C) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান — এটি একটি রাজনৈতিক আন্দোলন যার সাথে আবুল ফজলের সরাসরি সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ছিল না। D) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকলেও এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মূল আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবুল ফজল মানেই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এবং শিখা পত্রিকা। - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শিখা পত্রিকার সম্পাদনা ও এর সাথে জড়িত লেখকদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান স্লোগানটি মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0