a রাষ্ট্রপতির কাছে
b প্রধানমন্ত্রীর কাছে
c প্রধান বিচারপতির কাছে
d আইনমন্ত্রীর কাছে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী শাসন বিভাগের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীপরিষদের হাতে ন্যস্ত থাকে। রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান হলেও তিনি মূলত নামেমাত্র প্রধান এবং সংবিধানের নির্দেশ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে কাজ করতে বাধ্য থাকেন। ২. সংবিধান ও শাসনব্যবস্থা: সংবিধান ও আইন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চপঞ্চাশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁর কর্তৃত্বে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হিসেবে দেশের নীতিনির্ধারণ, প্রশাসন পরিচালনা এবং সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রধান ভূমিকা পালন করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী আদেশ ব্যাখ্যা: সরকারের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত বা প্রশাসনিক আদেশ প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ও মন্ত্রিপরিষদের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বন্টন ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নামমাত্র প্রধান এবং ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতির কাছে — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সংসদীয় পদ্ধতিতে তিনি আলংকারিক বা সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। B) প্রধানমন্ত্রীর কাছে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীই নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকর্তা। C) প্রধান বিচারপতির কাছে — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং তিনি বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা পরিচালনা করেন, শাসন বিভাগের ক্ষমতা তার কাছে থাকে না। D) আইনমন্ত্রীর কাছে — আইনমন্ত্রী আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন মন্ত্রী মাত্র, পুরো শাসন বিভাগের নির্বাহী ক্ষমতা তার একক কর্তৃত্বে থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সংসদীয় গণতন্ত্র মানেই প্রধানমন্ত্রী প্রধান। রাষ্ট্রপতি হলেন ছাতার মতো, যিনি থাকেন উপরে কিন্তু ছাতা চালান প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন হতে পারে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a ক্যাবিনেট
b বিরোধী দল
c সুশীল সমাজ
d লোকপ্রশাসন
0 236 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিরোধী দল ১. কেন সঠিক: প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংসদে ও বাইরে সরকারের কাজের সমালোচনা এবং সংশোধনের জন্য একটি বিকল্প শক্তি থাকে, যাকে বিকল্প সরকার বলা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সবসময় সরকারের নীতিনির্ধারণী ত্রুটি তুলে ধরে এবং নিজেদের প্রস্তুত রাখে যাতে প্রয়োজনে তারা সরকারের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সরকারব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিরোধী দল সরকারের একদলীয় শাসন বা স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করতে ভারসাম্য বজায় রাখার ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল সরকারের বিভিন্ন বিল ও নীতির সমালোচনা করে বিকল্প প্রস্তাব পেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওয়েস্টমিনস্টার মডেলে বিরোধী দলকে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া সরকার বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে বিরোধী দল কেবল সমালোচক নয়, বরং ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার জন্য বিকল্প প্রস্তুত দল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাবিনেট — এটি ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রিপরিষদকে বোঝায়, যা দেশ পরিচালনা করে এবং বিকল্প সরকার নয়। B) বিরোধী দল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় এরা বিকল্প সরকার হিসেবে গণ্য হয়। C) সুশীল সমাজ — এটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যারা সরকারের বাইরে থেকে মতামত দিলেও সরাসরি বিকল্প সরকার বা রাজনৈতিক দল নয়। D) লোকপ্রশাসন — এটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো পরিচালনা করে, যা রাজনৈতিক বিকল্প সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকার যখন ব্যর্থ হয়, তখন যে দল দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, সেই বিরোধী দলকেই বিকল্প সরকার বলা হয়। মনে রাখবে, ক্যাবিনেট হলো বর্তমান সরকার আর বিরোধী দল হলো ছায়া বা বিকল্প সরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হলো সক্রিয় বিরোধী দল। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ছায়া সরকার বা শ্যাডো ক্যাবিনেট বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়।
a আনিসুল হক
b সাঈদ খোকন
c সাদেক হোসেন খোকা
d মোহাম্মদ হানিফ
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ হানিফ ১. কেন সঠিক: মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৪ সালে দেশের চারটি প্রধান শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় প্রথমবারের মতো সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচনের প্রথা শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন কুমার নাগ ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক ছিলেন, কিন্তু তিনি নির্বাচিত মেয়র ছিলেন না। উদাহরণ ২: এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৯৪ সালে একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুল হক — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, প্রথম নির্বাচিত মেয়র নন। B) সাঈদ খোকন — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন, পুরো ঢাকা সিটির প্রথম নন। C) সাদেক হোসেন খোকা — তিনি ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, যা মোহাম্মদ হানিফের পর। D) মোহাম্মদ হানিফ — তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে প্রথম ঢাকার মেয়র হন হানিফ। নামটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি স্থানীয় সরকার প্রশাসন সম্পর্কিত পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়রের নামও জেনে রাখা ভালো।
a ২৯(২)
b ২৮(২)
c ৩৯(১)
d ৩৯(২)
0 151 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত একটি মৌলিক অধিকার, যা নাগরিকদের সমতা বিধানের মূলনীতিকে দৃঢ় করে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর দ্বিতীয় দফায় নারীর সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের ফলে নারীরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষের সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার লাভ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানের এই নীতির আলোকেই সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরিতে নারীর সমান প্রবেশাধিকার। ব্যাখ্যা: প্রশাসন ও অন্যান্য পেশায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২৮(২) অনুচ্ছেদ শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯(২) — এই অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি কেবল নারী-পুরুষের সমতা নির্দেশ করে না। B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ৩৯(১) — এই অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। D) ৩৯(২) — এই অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং প্রেসের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি মূলত বৈষম্য ও সমতা সংক্রান্ত, যেখানে দ্বিতীয় দফায় (২) নারীদের সম অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে ২৮ মানেই নারী পুরুষের সমান অধিকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার ও নারী অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলোর অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বেক্সিমকো
b স্কয়ার
c ইনসেপ্টা
d একমি
0 169 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসেপ্টা ১. কেন সঠিক: কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড চীনের সিনোফার্মের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনের তৈরি সিনোফার্মের কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের পথ সুগম হয় এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য উন্নয়ন: এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ টিকা আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাভি এবং কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনামূল্যে ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: এস কে ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ রপ্তানি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেক্সিমকো — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই নির্দিষ্ট টিকা উৎপাদনের চুক্তি করেনি, তবে তারা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে কোভিশিল্ড টিকা আমদানির চুক্তি করেছিল। B) স্কয়ার — এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলেও কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। C) ইনসেপ্টা — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীনের সাথে টিকা উৎপাদনের চুক্তিটি এই প্রতিষ্ঠানটিই করেছিল। D) একমি — এটি একটি প্রাচীন ও নামকরা ওষুধ কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই টিকা উৎপাদনের চুক্তির সাথে যুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: করোনা টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে চুক্তি করেছিল 'ইনসেপ্টা'। ইনসেপ্টা নামের শুরু 'ই' দিয়ে, আর উৎপাদন বা ইনোভেশন শব্দটির সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোভিড-১৯ মহামারি কালীন টিকা কূটনীতি ও দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে টিকা সরবরাহকারী দেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশীয় কোম্পানির নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a (ক) ১৯৭৩
b (খ) ১৯৭৪
c (গ) ১৯৭৫
d (ঘ) ১৯৭৬
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালে ওআইসি (OIC) এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: ১৯৭২ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশের যোগদানের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে আরও সুদৃঢ় হয়। উদাহরণ ২: ওআইসি এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। ব্যাখ্যা: মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম এই আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (ক) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ তখনো পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। B) (খ) ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্য হয়। C) (গ) ১৯৭৫ — এই সালে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভের কোনো ঘটনা ঘটে নি, এটি ভুল সাল। D) (ঘ) ১৯৭৬ — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়। লাহোর সম্মেলনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ওআইসি এর কততম সদস্য এবং ওআইসি এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।