a লর্ড কর্নওয়ালিস ১৮১৯
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২৯
c রাজা রামমোহন রায় ১৮২৯
d লর্ড বেন্টিংক ১৮২৯
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লর্ড বেন্টিংক ১৮২৯ ১. কেন সঠিক: - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সপ্তদশ বিধিমালার মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেন। - বাংলার সামাজিক সংস্কার আন্দোলন ও ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক পদক্ষেপে এই আইন প্রণয়ন একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন ভারতীয় সমাজে মৃত স্বামীর চিতায় জীবিত স্ত্রীর আত্মাহুতির এই নিষ্ঠুর প্রথাটি সমাজে নানা কুসংস্কারের কারণে প্রচলিত ছিল। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রাজা রামমোহন রায়ের নিরলস আন্দোলন এবং লর্ড বেন্টিংকের প্রশাসনিক সদিচ্ছার ফলেই এই অমানবিক প্রথা বিলোপ করা সম্ভব হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই প্রথা রদের মাধ্যমে নারীর জীবন রক্ষা পায় এবং সমাজে আধুনিক শিক্ষা ও সংস্কারের পথ উন্মুক্ত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবা বিবাহ আইন ১৮৫৬ ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে প্রণীত এই আইন বাংলার সামাজিক সংস্কারের ইতিহাসে সতীদাহ প্রথা বিলোপের পরবর্তী একটি বড় অগ্রগতি। উদাহরণ ২: নারী শিক্ষা বিস্তার ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্কার কাজ থেকে পরীক্ষার্থীদের শেখা উচিত কীভাবে সামাজিক কুসংস্কার দূর করে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কর্নওয়ালিস ১৮১৯ — লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন এবং ১৮১৯ সালের সঙ্গে সতীদাহ প্রথা বিলোপের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২৯ — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সমাজ সংস্কারক ও বিধবা বিবাহ আইনের প্রবক্তা হলেও তিনি ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বিলোপ করেননি। C) রাজা রামমোহন রায় ১৮২৯ — রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা বিরোধী আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা হলেও তিনি আইনগতভাবে তা বিলোপ করেননি, বিলোপ করেছিলেন লর্ড বেন্টিংক। D) লর্ড বেন্টিংক ১৮২৯ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেন্টিংক ও প্রথার সাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বেন্টিংক আইন পাস করেন এবং রামমোহন রায় আন্দোলন করেন। - রাজা রামমোহন রায় ছিলেন আন্দোলনের প্রাণপুরুষ আর লর্ড বেন্টিংক ছিলেন আইনের বাস্তবায়নকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সতীদাহ প্রথার সাল এবং প্রবর্তক ও বিলোপকারীর নাম প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে রাজা রামমোহন রায় কোন সভার মাধ্যমে এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a ক্যাবিনেট
b বিরোধী দল
c সুশীল সমাজ
d লোকপ্রশাসন
0 236 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিরোধী দল ১. কেন সঠিক: প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংসদে ও বাইরে সরকারের কাজের সমালোচনা এবং সংশোধনের জন্য একটি বিকল্প শক্তি থাকে, যাকে বিকল্প সরকার বলা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সবসময় সরকারের নীতিনির্ধারণী ত্রুটি তুলে ধরে এবং নিজেদের প্রস্তুত রাখে যাতে প্রয়োজনে তারা সরকারের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সরকারব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিরোধী দল সরকারের একদলীয় শাসন বা স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করতে ভারসাম্য বজায় রাখার ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল সরকারের বিভিন্ন বিল ও নীতির সমালোচনা করে বিকল্প প্রস্তাব পেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওয়েস্টমিনস্টার মডেলে বিরোধী দলকে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া সরকার বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে বিরোধী দল কেবল সমালোচক নয়, বরং ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার জন্য বিকল্প প্রস্তুত দল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাবিনেট — এটি ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রিপরিষদকে বোঝায়, যা দেশ পরিচালনা করে এবং বিকল্প সরকার নয়। B) বিরোধী দল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় এরা বিকল্প সরকার হিসেবে গণ্য হয়। C) সুশীল সমাজ — এটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যারা সরকারের বাইরে থেকে মতামত দিলেও সরাসরি বিকল্প সরকার বা রাজনৈতিক দল নয়। D) লোকপ্রশাসন — এটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো পরিচালনা করে, যা রাজনৈতিক বিকল্প সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকার যখন ব্যর্থ হয়, তখন যে দল দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, সেই বিরোধী দলকেই বিকল্প সরকার বলা হয়। মনে রাখবে, ক্যাবিনেট হলো বর্তমান সরকার আর বিরোধী দল হলো ছায়া বা বিকল্প সরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হলো সক্রিয় বিরোধী দল। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ছায়া সরকার বা শ্যাডো ক্যাবিনেট বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়।
a আনিসুল হক
b সাঈদ খোকন
c সাদেক হোসেন খোকা
d মোহাম্মদ হানিফ
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ হানিফ ১. কেন সঠিক: মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৪ সালে দেশের চারটি প্রধান শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় প্রথমবারের মতো সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচনের প্রথা শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন কুমার নাগ ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক ছিলেন, কিন্তু তিনি নির্বাচিত মেয়র ছিলেন না। উদাহরণ ২: এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৯৪ সালে একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুল হক — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, প্রথম নির্বাচিত মেয়র নন। B) সাঈদ খোকন — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন, পুরো ঢাকা সিটির প্রথম নন। C) সাদেক হোসেন খোকা — তিনি ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, যা মোহাম্মদ হানিফের পর। D) মোহাম্মদ হানিফ — তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে প্রথম ঢাকার মেয়র হন হানিফ। নামটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি স্থানীয় সরকার প্রশাসন সম্পর্কিত পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়রের নামও জেনে রাখা ভালো।
a ২৯(২)
b ২৮(২)
c ৩৯(১)
d ৩৯(২)
0 151 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত একটি মৌলিক অধিকার, যা নাগরিকদের সমতা বিধানের মূলনীতিকে দৃঢ় করে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর দ্বিতীয় দফায় নারীর সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের ফলে নারীরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষের সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার লাভ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানের এই নীতির আলোকেই সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরিতে নারীর সমান প্রবেশাধিকার। ব্যাখ্যা: প্রশাসন ও অন্যান্য পেশায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২৮(২) অনুচ্ছেদ শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯(২) — এই অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি কেবল নারী-পুরুষের সমতা নির্দেশ করে না। B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ৩৯(১) — এই অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। D) ৩৯(২) — এই অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং প্রেসের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি মূলত বৈষম্য ও সমতা সংক্রান্ত, যেখানে দ্বিতীয় দফায় (২) নারীদের সম অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে ২৮ মানেই নারী পুরুষের সমান অধিকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার ও নারী অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলোর অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বেক্সিমকো
b স্কয়ার
c ইনসেপ্টা
d একমি
0 169 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসেপ্টা ১. কেন সঠিক: কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড চীনের সিনোফার্মের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনের তৈরি সিনোফার্মের কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের পথ সুগম হয় এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য উন্নয়ন: এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ টিকা আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাভি এবং কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনামূল্যে ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: এস কে ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ রপ্তানি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেক্সিমকো — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই নির্দিষ্ট টিকা উৎপাদনের চুক্তি করেনি, তবে তারা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে কোভিশিল্ড টিকা আমদানির চুক্তি করেছিল। B) স্কয়ার — এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলেও কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। C) ইনসেপ্টা — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীনের সাথে টিকা উৎপাদনের চুক্তিটি এই প্রতিষ্ঠানটিই করেছিল। D) একমি — এটি একটি প্রাচীন ও নামকরা ওষুধ কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই টিকা উৎপাদনের চুক্তির সাথে যুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: করোনা টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে চুক্তি করেছিল 'ইনসেপ্টা'। ইনসেপ্টা নামের শুরু 'ই' দিয়ে, আর উৎপাদন বা ইনোভেশন শব্দটির সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোভিড-১৯ মহামারি কালীন টিকা কূটনীতি ও দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে টিকা সরবরাহকারী দেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশীয় কোম্পানির নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a (ক) ১৯৭৩
b (খ) ১৯৭৪
c (গ) ১৯৭৫
d (ঘ) ১৯৭৬
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালে ওআইসি (OIC) এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: ১৯৭২ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশের যোগদানের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে আরও সুদৃঢ় হয়। উদাহরণ ২: ওআইসি এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। ব্যাখ্যা: মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম এই আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (ক) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ তখনো পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। B) (খ) ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্য হয়। C) (গ) ১৯৭৫ — এই সালে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভের কোনো ঘটনা ঘটে নি, এটি ভুল সাল। D) (ঘ) ১৯৭৬ — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়। লাহোর সম্মেলনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ওআইসি এর কততম সদস্য এবং ওআইসি এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।