প্রশ্নের বর্ণনা

a পণ্ডিত
b বিদ্যাসাগর
c শাস্ত্রজ্ঞ
d মহামহোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহামহোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: মহ মহামহোপাধ্যায় একটি সম্মানসূচক উপাধি যা ব্রিটিশ ভারতে প্রাজ্ঞ পন্ডিতদের প্রদান করা হতো। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৮৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের আবিষ্কারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ১৯১৬ সালে তিনি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদিত গ্রন্থ হলো হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি চর্যাপদের পদগুলো প্রথম সংকলন ও প্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: মহামহোপাধ্যায় উপাধিপ্রাপ্ত অন্য একজন প্রাজ্ঞ পন্ডিত হলেন কামিনীকুমার বিদ্যারত্ন। ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের পন্ডিতদের তাদের অসামান্য অবদানের জন্য ব্রিটিশ সরকার এই খেতাবে ভূষিত করত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পণ্ডিত — পন্ডিত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক উপাধি নয়, এটি তাঁর নামের অংশ বা সাধারণ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। B) বিদ্যাসাগর — বিদ্যাসাগর উপাধিটি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রদান করা হয়েছিল, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে নয়। C) শাস্ত্রজ্ঞ — শাস্ত্রজ্ঞ কোনো আনুষ্ঠানিক উপাধি বা খেতাব নয়, এটি কেবল শাস্ত্রের জ্ঞান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) মহামহোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রিটিশ সরকার তাঁর পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্র নামের শেষে শাস্ত্রী উপাধির পাশাপাশি মহামহোপাধ্যায় খেতাব যুক্ত ছিল। মনে রাখার জন্য চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং মহামহোপাধ্যায় পদবি একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি এবং চর্যাপদ আবিষ্কার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল এবং তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থটির নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0