প্রশ্নের বর্ণনা

a মুহাম্মদ মুস্তফা
b আরেফ আলী
c মজিদ
d কাদের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরেফ আলী ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আরেফ আলী যিনি একজন আদর্শবাদী স্কুল শিক্ষক এবং নৈতিক দ্বিধাগ্রস্ত এক মানুষ। - তার মানসিক দ্বন্দ্ব অপরাধবোধ ও আত্মবিশ্লেষণ এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মূলত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ সমাজের সংস্কার ভণ্ডামি ও মানুষের অবচেতন মনের জটিলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ যার মাধ্যমে গ্রামীণ সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মের অপব্যবহার ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে নদী এবং মানুষের জীবনের গভীর সম্পর্ক ও জটিলতা দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহাম্মদ মুস্তফা — এই নামে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কোনো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নেই। B) আরেফ আলী — এটি সঠিক উত্তর যা চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। C) মজিদ — মজিদ চরিত্রটি চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের নয় বরং লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। D) কাদের — এই নামে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত কোনো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - চাঁদের আলো যেমন অমাবস্যায় ঢেকে যায় তেমনি শিক্ষক আরেফ আলীর বিবেকও এক রাতে অন্ধকারের অপরাধবোধে ঢেকে যায়। - এইভাবে চরিত্রের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নামকরণের মিল রেখে সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়। - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যায় কম হলেও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাই তার প্রতিটি উপন্যাসের চরিত্র ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0