প্রশ্নের বর্ণনা

a মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও
b রাজা রামমোহন রায়
c রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী
d নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও ১. কেন সঠিক: - মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও হলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি পর্তুগিজ ভাষায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দ সংকলন রচনা করেন। - তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ওপর লিখিত প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ হিসেবে ইতিহাসে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: - মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও একজন পর্তুগিজ ধর্মযাজক ছিলেন যিনি ১৭৩৪ সালে লিসবন থেকে 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগুশ' গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। - এই বইটির প্রথম অংশে পর্তুগিজ ও বাংলায় কথোপকথন এবং দ্বিতীয় অংশে বাংলা ব্যাকরণের আলোচনা ও শব্দার্থ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাত্রার সমাচার ব্যাখ্যা: মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত প্রথম বাংলা গদ্য ও কথোপকথনের একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কৃপাসস্ত্রের অর্থভেদ ব্যাখ্যা: এটিও মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত বাংলা লিপিতে মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও — সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন। B) রাজা রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাঙালি যিনি ১৮৩৩ সালে ইংরেজি ভাষায় 'রক্ষণশীল ব্যাকরণ' বা 'রূঢ় ব্যাকরণ' নামে বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। C) রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক ছিলেন যিনি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেননি। D) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — তিনি ১৭৭৮ সালে প্রথম ইংরেজি ভাষায় রচিত বাংলা ব্যাকরণ 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: সবপ্রথম বাংলা ব্যাকরণ লিখেছেন পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও। ইংরেজি ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ লিখেছেন ইংরেজ নাট্যকার নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম ব্যাকরণকার এবং প্রথম ইংরেজিতে ব্যাকরণ রচয়িতা এই দুটি তথ্য পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই কনফিউজ করে। পর্তুগিজ ভাষায় প্রথম এবং সামগ্রিকভাবে প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও এবং ইংরেজিতে প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0