প্রশ্নের বর্ণনা

a গোলাম মোস্তফা
b ফররুখ আহমদ
c ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
d সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ১৮৮৬ থেকে ১৮৮৯ সালের মধ্যে সমগ্র পবিত্র কোরআন বাংলায় অনুবাদ করেন। তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি পূর্ণাঙ্গ কোরআন শরিফ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি অনুবাদক ও গবেষক। তিনি কেশবচন্দ্র সেনের অনুসারী হয়ে ব্রাহ্মসমাজভুক্ত হন এবং আরবি ভাষা শিখে মূল কোরআন বাংলায় অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন অনূদিত কোরআনের প্রথম খণ্ড ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় ইসলামিক ধর্মগ্রন্থ অনুবাদের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুদ্রিত প্রয়াস। উদাহরণ ২: তার অপর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো মহাপুরুষচরিত। ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত জীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — তিনি কুরআনের পদ্য অনুবাদ কোরআন প্রসূন ও বিশ্বনবী সীরতুন্নবী রচনা করেছেন কিন্তু প্রথম সম্পূর্ণ অনুবাদক নন। B) ফররুখ আহমদ — তিনি বিখ্যাত পাকিস্তানি আমলের কবি ও সাহিত্যিক যিনি ইসলামী ঐতিহ্যের কবিতা লিখেছেন কিন্তু কোরআনের প্রথম অনুবাদক নন। C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি প্রথম সমগ্র পবিত্র কোরআনের বাংলা অনুবাদ করেন। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ভাষা ও তত্ত্বের ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন এবং সুনীলখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, কোরআন অনুবাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: গিরীশচন্দ্র সেন হলেন এমন একজন অমুসলিম ব্যক্তিত্ব যিনি প্রথম সম্পূর্ণ কোরআন বাংলায় অনুবাদ করার কীর্তি গড়েছেন। কোরআন অনুবাদের ক্ষেত্রে সেন পদবিটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। প্রথম বাংলা অনুবাদক এবং প্রথম পূর্ণাঙ্গ বই প্রকাশের সালটি মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0