প্রশ্নের বর্ণনা

a শনিবারের চিঠি
b রবিবারের ডাক
c বিজলি
d বঙ্গদর্শন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শনিবারের চিঠি ১. কেন সঠিক: সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা হলো শনিবারের চিঠি। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে তীব্র ব্যঙ্গ, কৌতুক এবং সাহিত্যিক সমালোচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সজনীকান্ত দাস বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক। শনিবারের চিঠি পত্রিকাটি মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুসারী এবং কল্লোল যুগের সাহিত্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে সাহিত্যিক সমালোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সজনীকান্ত দাসের কাব্যগ্রন্থ রাজপথ। ব্যাখ্যা: এটি সজনীকান্ত দাসের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তার কবিত্বশক্তির পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: শনিবারের চিঠি পত্রিকার প্রথম প্রকাশ সাল উনিশ শতকের চব্বিশ দশক। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে সমালোচনামূলক ধারার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনিবারের চিঠি — এটি সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যপত্রিকা। B) রবিবারের ডাক — এটি সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত কোনো প্রখ্যাত পত্রিকা নয়। C) বিজলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন সাপ্তাহিক পত্রিকা। D) বঙ্গদর্শন — এটি প্রথম প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্যপত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: শনিবারের চিঠি পত্রিকার সঙ্গে সজনীকান্ত দাসের নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে শনিবার ও সজনীকান্ত উভয় শব্দের শুরুতেই স বর্ণটি রয়েছে। ব্যঙ্গাত্মক ও সমালোচনামূলক ধারার পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে সজনীকান্ত দাসের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার সম্পাদক সম্পর্কিত প্রশ্ন খুব কমন। একইভাবে অন্যান্য পত্রিকার সম্পাদক যেমন বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সম্পাদক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক Dinesh Chandra Sen বা দীনেশচন্দ্র সেনের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0