প্রশ্নের বর্ণনা

a শ্রী রাধার ননদিনী
b শ্রী রাধার শাশুড়ি
c রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী
d জনৈক গোপবালা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী ১. কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে বড়ায়ি চরিত্রটি রাধা ও কৃষ্ণের মিলনে মধ্যস্থতাকারী বা ঘঘটকী হিসেবে কাজ করেছে। এই কাব্যে বড়ায়ি মূলত রাধাকৃষ্ণের প্রেমের বারতা আদান-প্রদান করে তাদের প্রেমের পথ সুগম করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নিদর্শন এবং এটি আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে। এই কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি গীতকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ায়ি চরিত্রটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দানখণ্ড ও নৌকাহাড় খণ্ডে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। ব্যাখ্যা: এই খণ্ডগুলোতে বড়ায়ি রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে সক্রিয় ছিল। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের কাব্যে দূতী চরিত্র প্রেমের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। ব্যাখ্যা: বড়ায়ি সেই ঐতিহ্যবাহী দূতী চরিত্রের প্রারম্ভিক ও সার্থক রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রী রাধার ননদিনী — শ্রী রাধার ননদিনীর নাম কুটিলা, বড়ায়ি ননদিনী ছিল না। B) শ্রী রাধার শাশুড়ি — শ্রী রাধার শাশুড়ির নাম বড়াই নয়, বড়ায়ি সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন চরিত্র। C) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বড়ায়ি তাদের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী। D) জনৈক গোপবালা — বড়ায়ি কোনো সাধারণ গোপবালা ছিল না, সে বয়োবৃদ্ধ নারী ও দূতী। ৫ মনে রাখার টিপস: বড়ায়ি হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সেই চরিত্র যে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমে সেতু হিসেবে কাজ করেছে। দূতী বা মধ্যস্থতাকারী মনে রাখলেই উত্তর সহজে চেনা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মূলত তিনটি প্রধান চরিত্র নিয়ে আবর্তিত, যথা রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি। চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই বড়ায়ির পরিচয় ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0