প্রশ্নের বর্ণনা

a 11
b 13
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ১৩ কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনীর ওপর রচিত এবং এটি মোট তেরোটি খণ্ডে বিভক্ত। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্যানিধি বাঁকুড়ার কাঁটাবন গ্রাম থেকে এই পুথি আবিষ্কার করার পর খণ্ডসংখ্যা ১৩টি নির্ধারিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নির্দশন হলো বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য যা মূলত নাট্যধর্মী রচনা। এই কাব্যের খণ্ডগুলো হলো জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, কালীয়দমনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বানখণ্ড, বংশীখণ্ড এবং রাধাবিরহ। উদাহরণস্বরূপ, জন্মখণ্ড দিয়ে কাহিনীর সূচনা এবং রাধাবিরহ খণ্ড দিয়ে এই কাব্যের সমাপ্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ১১ — শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মোট খণ্ডসংখ্যা এগারোটি নয়, কারণ এতে আরও দুটি খণ্ড বেশি রয়েছে। তাই এই অপشنটি সঠিক নয়। খ) ১৩ — এই অপشنটি সঠিক কারণ কাব্যের মূল পুথিতে তেরোটি খণ্ড পাওয়া গেছে। গ) ১৪ — বাংলা সাহিত্যে অন্য কিছু কাব্য চৌদ্দ খণ্ডে বিভক্ত হতে পারে, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন চৌদ্দ খণ্ডের নয়। তাই এই সংখ্যাটি ভুল। ঘ) ১৫ — এই সংখ্যাটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রকৃত খণ্ডসংখ্যার সাথে মেলে না। তাই পনেরো খণ্ড বলা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের খণ্ডসংখ্যা মনে রাখতে রাধার জন্ম থেকে বিরহ পর্যন্ত মোট তেরো ধাপ বা তেরোটি খণ্ড মাথায় রাখবে। বড়ু চণ্ডীদাসের এই বিখ্যাত কাব্যের শুরু জন্ম দিয়ে আর শেষ বিরহ দিয়ে, মাঝখানে এগারোটি খণ্ড হিসাব করে মোট তেরো মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0