প্রশ্নের বর্ণনা

a ভাবরস
b মধুর রস
c প্রেমরস
d লীলারস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধুর রস ১. কেন সঠিক: - শৃঙ্গার রস হলো সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্র ও নাট্যশাস্ত্রের একটি অন্যতম প্রধান রস, যার মূল ভিত্তি রতি বা প্রেম। - বৈষ্ণব পদাবলিতে রাধা ও কৃষ্ণের এই মধুর ও লৌকিক-অলৌকিক প্রেমের প্রকাশকে বৈষ্ণব আচার্যগণ ভক্তিতত্ত্বের দৃষ্টিতে মধুর রস বা উজ্জ্বল রস হিসেবে অভিহিত করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বৈষ্ণব পদাবলি হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ শাখা, যা মূলত শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা এবং ভক্তিভিত্তিক গীতের সংকলন। - রূপ গোস্বামী রচিত ভক্তিরসামৃতসিন্ধু গ্রন্থে মধুর রসকে ভক্তির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও গভীরতম রূপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা বৈষ্ণব সাহিত্যে বিশেষভাবে গৃহীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি রচিত পদাবলি ব্যাখ্যা: এই দুই পদকর্তার কবিতায় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের যে রূপ ফুটে উঠেছে, তা মূলত বৈষ্ণব পদাবলির মধুর রসের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের পদাবলি ব্যাখ্যা: তাদের পদাবলিতেও রাধা ও কৃষ্ণের অভিসার, মান এবং মিলনের মধ্য দিয়ে মধুর রসের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবরস — ভাব হলো রসের স্থায়ী বা সঞ্চারী রূপ, যা কোনো নির্দিষ্ট রসের নাম নয় বরং রসের প্রাথমিক পর্যায়। B) মধুর রস — এটি সঠিক উত্তর। C) প্রেমরস — প্রেম সাধারণ একটি আবেগ বা অনুভূতি, কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলিতে তাত্ত্বিক ও কাব্যিক অর্থে একে মধুর রস বলা হয়। D) লীলারস — লীলা বলতে ঈশ্বরের বহুমুখী প্রকাশ বা খেলা বোঝায়, যা মধুর রসের একটি অংশ হতে পারে কিন্তু সামগ্রিক শাস্ত্রীয় নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বৈষ্ণব পদাবলির মূল আকর্ষণ রাধা-কৃষ্ণের প্রেম এবং এর সাহিত্যিক নাম মধুর রস। মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাধার মধুর প্রেম অর্থাৎ মধুর রস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈষ্ণব পদাবলির রস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শৃঙ্গার রসের অপর নাম যে মধুর রস বা উজ্জ্বল রস, তা রূপ গোস্বামীর তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0