প্রশ্নের বর্ণনা

a রামাই পন্ডিত
b হলায়ুধ মিশ্র
c কাহ্নপা
d কুকুরীপা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামাই পন্ডিত ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপূরাণ' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ও ধর্মীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি বিশিষ্ট গ্রন্থ। রামাই পন্ডিত শূন্যপূরাণ গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে পরিচিত ও স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শূন্যপূরাণ মূলত ধর্মপূজার আচার-অনুষ্ঠান ও বৌদ্ধ ধর্মের প্রচ্ছন্ন প্রভাবযুক্ত এক ধরনের গদ্য-পদ্য মিশ্রিত চম্পূকাব্য। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণে রচিত হয়েছে বলে ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামাই পন্ডিতের রচিত 'ধর্মমঙ্গল' সম্পর্কিত অন্যান্য পদ ও আচারের উল্লেখ প্রাচীন ধর্মাচার বুঝতে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: এই পদগুলোতে সমাজ জীবনের প্রাক-ইসলাম যুগের নানা সংস্কারের পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের ভাষা ও শূন্যপূরাণের ভাষার মধ্যে বৌদ্ধ সংস্কৃতির একটা সূক্ষ্ম যোগসূত্র রয়েছে। ব্যাখ্যা: দুটি সাহিত্য ধারায় শূন্যবাদ ও ধর্মীয় অনুশাসনের বিশেষ প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামাই পন্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শূন্যপূরাণের প্রামাণিক রচয়িতা। B) হলায়ুধ মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি শূন্যপূরাণের রচয়িতা নন, বরং তিনি সেন রাজসভার সঙ্গে যুক্ত সংস্কৃত সাহিত্যের পন্ডিত ছিলেন। C) কাহ্নপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের একজন অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পদরচয়িতা কবি। D) কুকুরীপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের আদিযুগের একজন বিশিষ্ট বৌদ্ধ সহজিয়া কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য বানানের শুরুতে শ আছে এবং রামাই পন্ডিতের নামের সঙ্গে শূন্যপূরাণ মেলালে সহজে মনে রাখা যায়। শূন্যপূরাণ বললেই রামাই পন্ডিতের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ এবং তার রচয়িতাদের নাম যেমন গোবিন্দদাস ও রূপরাম চক্রবর্তীর নামও একইভাবে পড়ে রাখবে। শূন্যপূরাণ কোন যুগের নিদর্শন, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0