প্রশ্নের বর্ণনা

a রামনিধি গুপ্ত
b দাশরথি রায়
c এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি
d রামপ্রসাদ সেন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রামপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: শাক্ত পদাবলি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এক অনন্য সৃষ্টি, যা দেবী দুর্গা বা কালীর বন্দনা ও ভক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। রামপ্রসাদ সেন ছিলেন এই ধারার আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি, যিনি সহজ-সরল সুরে সাধক সুলভ আকূতি ফুটিয়ে তুলেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামপ্রসাদ সেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট শাক্ত পদকর্তা এবং সাধক কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তার রচিত পদগুলো বিদ্যাসুন্দর ও কালীকীর্তন নামে পরিচিত এবং তিনি বাংলা গানে নতুন ধারার সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমায় দে মা ছাইয়ের ঘর, ভবের বাজার সাঙ্গ হলো। ব্যাখ্যা: এটি রামপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত শাক্ত পদ, যেখানে তাত্ত্বিক ও ভক্তিভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: মন রে কৃষিকাজ জানো না, এমন মানবজমিন রইল পতিত। ব্যাখ্যা: এই পদটিতে মানুষের জীবনকে উর্বর জমির সঙ্গে তুলনা করে আত্মশুদ্ধির বাণী প্রচার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনিধি গুপ্ত — ইনি নিধুবাবু নামে পরিচিত এবং বাংলা টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক বিখ্যাত। B) দাশরথি রায় — ইনি পাঁচালি গানের জন্য বিখ্যাত এবং মধ্যযুগের শেষভাগের বিশিষ্ট কবি। C) এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি — ইনি বাংলা ভাষায় আগত একজন বিশিষ্ট কবিয়াল যিনি মূলত কবিগানের জন্য বিখ্যাত। D) রামপ্রসাদ সেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শাক্ত পদাবলি রচনার জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: শাক্ত পদ মানেই রামপ্রসাদ সেন, আর টপ্পা গান মানেই রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবু। এভাবে কবি ও তাঁদের প্রধান অবদানের ক্ষেত্র আলাদা করে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শাক্ত পদাবলির আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেন কমলাকান্ত ভট্টাচার্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শাক্ত পদাবলির আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে রামপ্রসাদ সেনের নাম জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0