প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২২ সালে
b ১৯১৭ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯২৩ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭ সালে ১. কেন সঠিক: শওকত ওসমান ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের জন্মসাল ও জীবনকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সঠিক সালটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, যিনি মূলত তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান এবং তিনি মূলত প্রতিবাদী চেতনা ও সমাজবাস্তবতার নিপুণ চিত্রায়নের জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস, যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২২ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি, এটি ভুল তথ্য। B) ১৯১৭ সালে — এটি শওকত ওসমানের জন্মসাল এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে শওকত ওসমানের জন্ম হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ১৯২৩ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি, ফলে এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের জন্ম ১৯১৭ সালে, যা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মৃত্যুর ঠিক পাঁচ বছর পর ঘটেছিল। এভাবে ইতিহাসের অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে জন্মসাল মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লেখকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় এক নম্বর অর্জনে খুব সাহায্য করে। লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাসগুলো ছক করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন এড়ানো সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0