প্রশ্নের বর্ণনা

a রত্নাকর দস্যু
b কবীন্ত্র পরমেশ্বর
c কৃত্তিবাস ওজা
d মাগন ঠাকুর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রত্নাকর দস্যু ১. কেন সঠিক: - আদি মহাকাব্য রামায়ণের মূল রচয়িতা হিসেবে মহর্ষি বাল্মীকি বা রত্নাকর দস্যুর নাম সর্বস্বীকৃত। - পৌরাণিক উপাখ্যান অনুযায়ী বাল্মীকি তার পূর্বজীবনে রত্নাকর নামক দস্যু ছিলেন যিনি পরে তপস্যার মাধ্যমে ঋষি হন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র ও প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য হলো রামায়ণ। - মহর্ষি বাল্মীকি এই মহাকাব্য রচনা করেন বলে তাকে আদি কবি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাভারতের রচয়িতা কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস। ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য যা ব্যাসদেব রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: রামায়ণের বাংলা অনুবাদ কৃত্তিবাস ওজা। ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীরাম পাঁচালী বা কৃত্তিবাসী রামায়ণ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্নাকর দস্যু — এটি সঠিক কারণ তিনি মূল সংস্কৃতে রামায়ণের রচয়িতা। B) কবীন্ত্র পরমেশ্বর — তিনি আলাওল আমাত্য পরাগল খানের নির্দেশে মহাভারতের একটি অংশ অনুবাদ করেন। C) কৃত্তিবাস ওজা — তিনি মূল রামায়ণের রচয়িতা নন, বরং মধ্যযুগের বাংলায় এর অনুবাদক। D) মাগন ঠাকুর — তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার পৃষ্ঠপোষক ও কবি দৌলত কাজীর পটভূমিতে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল রামায়ণ রচনা করেন রত্নাকর দস্যু বা বাল্মীকি আর বাংলায় অনুবাদ করেন কৃত্তিবাস ওজা। মূল লেখক ও অনুবাদক গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মূল রচয়িতা এবং অনুবাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই উৎস গ্রন্থ এবং বাংলা অনুবাদের তফাত স্পষ্ট রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0