প্রশ্নের বর্ণনা

a স্বরবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c মান্দাক্রান্ত
d মাত্রাবৃত্ত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যা বাংলা কবিতার একটি বিশিষ্ট ও প্রাচীন ছন্দরীতি। - মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পর্ববিন্যাস সাধারণত আট বা ছয় মাত্রার হয়ে থাকে এবং এর ধ্বনিপ্রবাহ কিছুটা ধীর ও গম্ভীর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ, যিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ‘সোনার তরী’ কবিতাটি তাঁর সমনামে প্রকাশিত ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি বাংলা কাব্যে প্রতীকধর্মী রচনার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটিও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের একটি ধ্রুপদী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় উদাহরণ। উদাহরণ ২: বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশ ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের সুমধুর ও সুরময় প্রয়োগের চমৎকার একটি নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত চার মাত্রার পর্বভিত্তিক এবং এটি ছড়া বা লোকসাহিত্যের ছন্দ, যা ‘সোনার তরী’ কবিতায় ব্যবহৃত হয়নি। B) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে মিশ্রবৃত্ত বা তানপ্রধান ছন্দ বলা হয় এবং এটি মহাভারত বা রামায়ণের মতো মহাকাব্যে ব্যবহৃত হয়, যা এই কবিতার ছন্দ নয়। C) মান্দাক্রান্ত — মান্দাক্রান্তা হলো সংস্কৃত ভাষার একটি সনাতন বৃত্তগন্ধী ছন্দ, যা বাংলা কবিতার মূল ধারার ছন্দের আওতাভুক্ত নয়। D) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি এই কবিতার প্রকৃত ছন্দরীতি নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সোনার তরী মানেই মাত্রার হিসাব, তাই এই বিখ্যাত কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা হয়েছে বলে মনে রাখবে। - রবীন্দ্রনাথের গুরুগম্ভীর ও প্রতীকী অনেক কবিতাই মাত্রাবৃত্ত ছন্দের কাঠামোগত নিয়মে বাঁধা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতা ও তাদের ছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর ছন্দ ও প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা বিসিএস পরীক্ষার জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0