প্রশ্নের বর্ণনা

a মুক্তক ছন্দ
b স্বরবৃত্ত ছন্দ
c গদ্যছন্দ
d মন্দাক্রান্তা ছন্দ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুক্তক ছন্দ কেন সঠিক: - এই কাব্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথাগত পয়ার বা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বাঁধন ভেঙে নতুন গতিময় ও স্বাধীন ছন্দের ব্যবহার করেছেন। - ভাব ও বিষয়ের গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই কাব্যে ছন্দের চালকে মুক্ত বা স্বাধীন করা হয়েছে, যা মুক্তক ছন্দ নামে পরিচিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুক্তক ছন্দ হলো এমন একটি ছন্দ যেখানে পংক্তির দৈর্ঘ্য ও মাত্রার সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে না, বরং ভাবের গতির ওপর নির্ভর করে ছন্দ এগিয়ে যায়। - ১৯১৪ সালে প্রকাশিত 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে গতিশীলতা ও পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এবং এখানেই প্রথম মুক্তক ছন্দের সার্থক রূপ দেখা যায়। - বলাকা কবিতার বিখ্যাত পংকোতিতে গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে, যেখানে ছন্দের মধ্যেও সেই চঞ্চল গতি ও ডানা ঝাপটানোর ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মুক্তক ছন্দ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - B) স্বরবৃত্ত ছন্দ — এটি মূলত ছড়া বা রূপকথার ছন্দ, যার মূল বৈশিষ্ট্য দ্রুত লয় ও পর্বের সুনির্দিষ্ট মাপ, যা বলাকা কাব্যের গম্ভীর ও গতিশীল ভাবের সাথে মেলে না। - C) গদ্যছন্দ — গদ্যছন্দে কোনো পদ্যের নিয়ম বা ছন্দের মিল থাকে না, কিন্তু বলাকা কাব্যের কবিতায় অভ্যন্তরীণ লয় ও সুরের মেলবন্ধন রয়েছে, তাই এটি গদ্যছন্দ নয়। - D) মন্দাক্রান্তা ছন্দ — এটি সংস্কৃত ভাষার একটি প্রাচীন বৃত্তাকার ছন্দ, যা রবীন্দ্রনাথের বলাকা কাব্যের আধুনিক ও স্বাধীন ভাবধারার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের বলাকা কাব্য বলতেই মাথায় রাখতে হবে গতির কথা আর গতির সাথে মানানসই ছন্দ হলো মুক্তক ছন্দ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0