প্রশ্নের বর্ণনা

a টি.এস. এলিয়ট
b ডব্লিউ বি. ইয়েটস
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ঐতিহাসিক ভুল বা অসংগতি রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই। ডব্লিউ বি. ইয়েটস এই অনুবাদের জন্য বিখ্যাত ভূমিকা (Introduction) লিখে দিয়েছিলেন, কিন্তু অনুবাদক স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গীতাঞ্জলি মূলত বাংলা ভাষার একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯১২ সালে এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্য ক্রিসেন্ট মুন (The Crescent Moon) ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিশু কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি রূপান্তর যা তিনি নিজে করেছেন। উদাহরণ ২: গার্ডেনার (The Gardener) ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ যা কবি নিজে সম্পন্ন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টি.এস. এলিয়ট — ইনি একজন বিখ্যাত নোবেলজয়ী কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি গীতাঞ্জলি অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) ডব্লিউ বি. ইয়েটস — ইনি এই ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন এবং নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তিতে সাহায্য করেছিলেন, কিন্তু অনুবাদক নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি নিজেই গীতাঞ্জলি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও লেখক যিনি এই অনুবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি গীতাঞ্জলি প্রকাশের নেপথ্যে ইয়েটস ভূমিকা লিখেছিলেন বটে, কিন্তু মূল কলমটি ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের হাতে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নোবেল প্রাপ্তির প্রেক্ষাপটে ইংরেজি গীতাঞ্জলির অনুবাদকের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং ইয়েটস ও রবীন্দ্রনাথের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0