প্রশ্নের বর্ণনা

a খুলনার ‍দক্ষিণ ডিহি
b ছোটনাগপুর মালভূমি
c যশোরের কেশবপুর
d কুষ্টিয়ার শিলাইদহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খুলনার দক্ষিণ ডিহি ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতৃপুরুষের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার অন্তর্গত দক্ষিণ ডিহি গ্রামে। এই দক্ষিণ ডিহি গ্রামেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর জন্মস্থান এবং তাঁর নানালয় অবস্থিত ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক। ১৮৬১ সালের ৭ মে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্ম নেওয়া এই কবির পূর্বপুরুষেরা মূলত খুলনার দক্ষিণ ডিহি থেকে কলকাতায় গিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি দেখাশোনোর ও সাহিত্য সাধনার প্রধান স্থান ছিল, আদিবাসস্থান নয়। উদাহরণ ২: শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পারিবারিক জমিদারি এলাকা ছিল, যেখানে তিনি কাচারি বাড়ি পরিচালনা করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনার দক্ষিণ ডিহি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি ছিল এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ছোটনাগপুর মালভূমি — এটি বাংলা সাহিত্যের অন্য লেখকদের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদিবসতি নয়। C) যশোরের কেশবপুর — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কপোতাক্ষ নদের তীরে অবস্থিত, রবীন্দ্রনাথের আদিবসতি নয়। D) কুষ্টিয়ার শিলাইদহ — এটি রবীন্দ্রনাথের জমিদারি পরিচালনার ও শান্তিনিকেতনের বাইরে সাহিত্য রচনার বিখ্যাত স্থান, আদিবসতি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের আদি বাড়ি খুলনা জেলার দক্ষিণ ডিহিতে আর স্ত্রীর জন্মস্থানও একই গ্রামে অবস্থিত। জমির দেখাশোনার জন্য শিলাইদহ ও শাহজাদপুরে কাটিয়েছেন, কিন্তু আদি ভিটা ছিল খুলনায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, মৃত্যু, পূর্বপুরুষের নিবাস ও জমিদারি অঞ্চলের নাম প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও আদি নিবাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0