প্রশ্নের বর্ণনা

a পরশুরাম
b নীললোহিত
c ভানুসিংহ ঠাকুর
d গাজী মিয়া
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভানুসিংহ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোর বয়সে পদাবলী সাহিত্যের অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ রচনা করেন এবং ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে তা প্রকাশ করেন। - এই ছদ্মনামের আড়ালে তিনি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে নিজের কবিত্ব শক্তির প্রথম বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের সব শাখায় অবদান রেখেছেন। - তিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য সাহিত্যে প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং তাঁর রচিত আমার সোনার বাংলা গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে লেখা পদগুলোর সংকলন ১৮৮৪ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মায়াকুমারী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি গীতিনাট্য, যা তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরশুরাম — এটি প্রমথনাথ বিশীর ছদ্মনাম নয়, বরং সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর বিখ্যাত ছদ্মনাম, যিনি মূলত তাঁর ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। B) নীললোহিত — এটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় একটি ছদ্মনাম, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) গাজী মিয়া — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিশেষ ছদ্মনাম, যা তিনি গাজী মিয়ার বস্তানী নামক সামাজিক উপন্যাস রচনায় ব্যবহার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের পদাবলী লেখার ভান বা নাটক করতেন, তাই তাঁর পদাবলীর ছদ্মনাম ভানুসিংহ মনে রাখা সহজ। - ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, যা রবীন্দ্রনাথের বিশাল প্রতিভার দীপ্তির সঙ্গে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামগুলো আলাদাভাবে নোট করে পড়া পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত ফলদায়ক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0