প্রশ্নের বর্ণনা

a ভানুসিংহ ঠাকুর
b টেকচাঁদ ঠাকুর
c হুতোম প্যাঁচা
d বীরবল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভানুসিংহ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কৈশোরে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদ রচনা করেছিলেন। - চতুর্দশ শতাব্দীতে মৈথিলি ভাষায় রচিত বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পদের আদলে তিনি এই ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তিনি ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখেছিলেন। উদাহরণ ২: মায়ার খেলা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিনাট্য, যা তার বহুমুখী প্রতিভার আরেকটি উজ্জ্বল নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানুসিংহ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করেছিলেন। B) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। C) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম, যিনি হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের মাধ্যমে কলকাতার সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। D) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, যিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভানুসিংহ নামটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের সাহিত্য সাধনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। - রবীন্দ্রনাথ ও ভানুসিংহ দুটো নামই কবিগুরুর সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকটি মনে করিয়ে দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে টেকচাঁদ ঠাকুর ও বীরবল নামটি বারবার পরীক্ষায আসে। - লেখকদের আসল নামের পাশাপাশি তাদের ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো আলাদা করে একটি তালিকার মাধ্যমে মনে রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0