প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯০৫ সালে
b ১৯১৩ সালে
c ১৯২৩ সালে
d ১৯২৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে এই prestigious সম্মান অর্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তার গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস এর জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস। উদাহরণ ২: সুইডিশ একাডেমি ব্যাখ্যা: সুইডিশ একাডেমি তাকে আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই বছর বাংলা ভঙ্গ করা হয় এবং রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ বিরোধী গান ও কবিতা রচনা করেন। B) ১৯১৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ঐতিহাসিক সত্য। C) ১৯২৩ সালে — এই সালে নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সরাসরি কোনো ঐতিহাসিক সাহিত্যিক ঘটনা যুক্ত নয়। D) ১৯২৫ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু উল্লেখযোগ্য কাজ রচিত হলেও নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখতে পারো যেমন তেরো মানে ১৯১৩ সাল। সাহিত্যে প্রথম নোবেল জয়ী এশীয় হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। গীতাঞ্জলি এবং সং অফারিংস দুটি নামই ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0