প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯১৩ সালে
b ১৯২০ সালে
c ১৯২৩ সালে
d ১৯২৪ সালে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্য বিভাগে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯১৩ সালের নভেম্বর মাসে। তিনি তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি প্রথম এশীয় সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করার গৌরব অর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম 'সং অফারিংজ', যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। উদাহরণ ২: 'জনাণারণ্য' বা 'মহামানব' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন সাহিত্যকর্মে মানবপ্রেম ও বিশ্বমানবতার সুর ধ্বনিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ১৯২০ সালে — এই সালে নোবেল পুরস্কার পান নাই, এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল সাল। C) ১৯২৩ সালে — এই সালে কোনো নোবেল পুরস্কার রবীন্দ্রনাথ পাননি। D) ১৯২৪ সালে — এই সালটিও নোবেল প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নরমাল বা সহজভাবে মনে রাখুন নোবেল এসেছে ১৯১৩ সালে আর গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। সাল দুটি পাশাপাশি মনে রাখা খুব সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল জয়ের সালটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0