প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯০০ সালে
b ১৯০৫ সালে
c ১৯১৩ সালে
d ১৯১৭ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য এই prestigious সম্মান লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশিয়ান হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে বিশ্বদরবারে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার আসনোসীন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যার ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০০ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির ঘটনা ঘটেনি। B) ১৯০৫ সালে — এই বছর বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল কিন্তু কোনো নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। D) ১৯১৭ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পাননি বরং তিনি ১৯১৩ সালেই এটি পেয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ১৩ সালে নোবেল পান এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাংলা ১৩ সংখ্যাটি তাঁর বিজয়ের প্রতীক। সাহিত্যের প্রথম নোবেলজয়ী হিসেবে এই সালটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং তিনি প্রথম বাঙালি ও এশীয় সাহিত্যিক যিনি এই পুরস্কার পান। এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে সাল ও গ্রন্থের নাম খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0