প্রশ্নের বর্ণনা

a বিসর্জন
b ডাকঘর
c বসন্ত
d অচলায়তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন ঋতুপতির হাতের অর্ঘ্য তিনি কবির হাতে তুলে দিলেন, যা দুই কবির মধ্যেকার মধুর সম্পর্কের ঐতিহাসিক দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। বসন্ত হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঋতুনাট্য যা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবদ্দশায় এই বিশেষ কাব্যগ্রন্থটি নজরুলকে উৎসর্গ করে গভীর ভালোবাসার পরিচয় দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং উৎসর্গপত্রটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজিক নাটক এবং এটি কাউকে উৎসর্গ করা হয়নি। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক যা শান্তিনিকেতনে প্রথম অভিনীত হয়েছিল। D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক নাটক যা সমাজ ও ধর্মের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বসন্ত উৎসব ও ঋতুনাট্যের সঙ্গে নজরুলের তারুণ্যের বিদ্রোহী রূপের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ঋতুরাজ বসন্তের উৎসর্গপ্রাপ্ত কবি হলেন আমাদের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর প্রায়শই প্রশ্ন আসে। কোন লেখক কাকে কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেছেন, তা নোট করে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই কমন পাওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0