প্রশ্নের বর্ণনা

a 1911
b 1912
c 1913
d 1914
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও প্রথম নোবেলজয়ী বাঙালি লেখক। ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েট্স 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন। ব্যাখ্যা: এই ভূমিকাটি নোবেল পুরস্কার অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: 'সং অফারিংস' হলো 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি রূপ। ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি অনুবাদের জন্যই তিনি নোবেল কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১১ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পাননি। এটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সঠিক বছর নয়। B) ১৯১২ — এই সালে 'গীতাঞ্জলি'র ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। তবে এটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির বছর নয়। C) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর। এই সালেই তিনি সাহিত্যে নোবেল লাভ করেন। D) ১৯১৪ — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর এটি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পান ১৯১৩ সালে এবং গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। নম্বরগুলো মনে রাখতে শেষ অংকগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি বিভিন্নভাবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0