প্রশ্নের বর্ণনা

a ১০ বছর
b ১২ বছর
c ১৪ বছর
d ১৬ বছর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ বছর ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র ষোল বছর বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৮৭৭ সালে ভারতী পত্রিকায় তার প্রথম ছোটগল্প ভিখারিণী প্রকাশিত হয়, তখন তার বয়স ছিল ষোল বছর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও সার্থক রূপকার হিসেবে পরিচিত। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের আধুনিক ধারার সূচনা ঘটে এবং তিনি অসংখ্য বিশ্বমানের ছোটগল্প রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্তার ভূত ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত একটি রূপকধর্মী ছোটগল্প যা সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সমালোচনা করে। উদাহরণ ২: সমাপ্তি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যার প্রধান চরিত্র মৃণময়ী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ বছর — এই বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প রচনার কোনো ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। B) ১২ বছর — এই বয়সে তিনি মূলত পদ্য ও বাল্যবিকাশমূলক লেখালেখির সাথে যুক্ত ছিলেন। C) ১৪ বছর — এই বয়সে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ বনফুল প্রকাশিত হয়, ছোটগল্প নয়। D) ১৬ বছর — এই বয়সটি তার প্রথম ছোটগল্প প্রকাশের সময়কালের সাথে সঠিকভাবে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ষোলো বছর বয়সে প্রথম ছোটগল্প ভিখারিণী লেখেন। সংখ্যাটি মনে রাখতে ষ দিয়ে ষোল এবং ষ দিয়ে ছোটগল্প মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছোটগল্পের জনক কে এবং রবীন্দ্রনাথের প্রথম ছোটগল্পের নাম কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের প্রথম রচনা এবং প্রকাশের বয়স সংক্রান্ত তথ্য ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0