প্রশ্নের বর্ণনা

a 61
b 55
c 52
d 57
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯১৩ সাল থেকে ১৮৬১ সাল বিয়োগ করলে তার বয়স ৫২ বছর হয়, যা তাকে এ সম্মান এনে দেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম নোবেলজয়ী লেখক এবং এশিয়ার মধ্যেও প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী। তার 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তাকে এই prestigious পুরস্কার প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটস ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ 'সং অফারিংস' এর ভূমিকা লিখেছিলেন এই বিখ্যাত আইরিশ কবি। উদাহরণ ২: ১৯১৩ সাল ব্যাখ্যা: এই সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং বিশ্ব দরবারে বাংলা সাহিত্যকে পরিচিত করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬১ — এই বয়সটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির বয়সের সঙ্গে মেলে না, এটি ভুল সংখ্যা। B) ৫৫ — এই বয়সে তিনি নোবেল পাননি, কারণ নোবেল প্রাপ্তির সময় তার প্রকৃত বয়স ৫২ বছর ছিল। D) ৫৭ — এই বয়সটিও তার নোবেল পাওয়ার সময়ের গণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সাল এবং নোবেল ১৯১৩ সাল। ১৩ থেকে ৬১ এর হিসেব মনে রাখলে ৫২ বছর বয়স সহজেই বের করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল এবং বয়স প্রায়ই আসে। তার জন্মসাল ও নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখলে বয়স বের করার প্রশ্নগুলো সহজেই সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0