প্রশ্নের বর্ণনা

a করণ কারক
b সম্প্রদান কারক
c অপাদান কারক
d অধিকরণ কারক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান কারক ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক রাখার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করেছিলেন এবং এটি বাদ দিতে চেয়েছিলেন। - তাঁর মতে কোনো কিছু সত্যিসত্যি চিরতরে দান করা বোঝালে তা আসলে কর্ম কারকেরই অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রথাগত ব্যাকরণে স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু প্রদান করা বোঝালে তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতো ভাষাবিজ্ঞানীরা সম্প্রদান কারককে আলাদা কারক হিসেবে মানতে নারাজ ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধজনে দেও আলো। ব্যাখ্যা: এটি প্রথাগত ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক হলেও আধুনিক মতে এটি কর্ম কারক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা বোঝালেও আধুনিক দৃষ্টিতে এটি মুখ্য বা গৌণ কর্মের আওতাভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — এটি বাক্যের যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে বোঝায় এবং রবীন্দ্রনাথ এটি বাদ দেওয়ার কথা বলেননি। B) সম্প্রদান কারক — সঠিক উত্তর। C) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীতি উৎপন্ন হয় তা বোঝায় এবং এটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা সময়কে বোঝায় এবং এটি কারক হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ বাদ দিতে চেয়েছিলেন সম্প্রদান কারক, কারণ তিনি চিরতরে দানকে সাধারণ কর্ম কারক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। - ব্যাকরণ বইয়ে সম্প্রদান কারকের ঐতিহ্য থাকলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এটি বিতর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক থেকে প্রশ্ন এলে রবীন্দ্রনাথের এই মতবাদটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। - প্রথাগত ও আধুনিক ব্যাকরণের এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0