প্রশ্নের বর্ণনা

a 1910
b 1911
c 1913
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এই সম্মান অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম সং অফ অফারিংস বা সং অফ অফারিং, যার জন্য নোবেল প্রাপ্তি। উদাহরণ ২: ১৯১২ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়, যার ভূমিকা লিখেছিলেন ডব্লিউ বি ইয়েট্স। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১০ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস গোরা প্রকাশিত হয়, এটি নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়। B) ১৯১১ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতের জাতীয় সংগীত জনগণমন অধিনায়ক জয় হে রচনা করেন। D) ১৯২১ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা নোবেল প্রাপ্তির সাল থেকে ভিন্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে বাংলা ১৩২০ বঙ্গাব্দ বা ইংরেজি ১৯১৩ সাল মনে রাখতে পারো। - গীতাঞ্জলি প্রকাশের পরের বছর অর্থাৎ ১৯১২ সালে অনুবাদ এবং তার পরের বছর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। - একই ধরনের প্রশ্ন হিসেবে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা বা অন্যান্য সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0