প্রশ্নের বর্ণনা

a ভারতচন্দ্র
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল বা সন্ধিক্ষণের শ্রেষ্ঠ কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যের ধারা এবং আধুনিক যুগের নতুন চেতনার অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে তাঁর কবিতায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক। তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত কারণ তাঁর কবিতায় মধ্যযুগীয় শৈলীর অবসান এবং আধুনিক মনন ও বাস্তবতার সূচনা দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা থেকে বহু তরুণ কবি ও সাহিত্যিকের প্রতিভা বিকাশ লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: কবিওয়ালা ও গান ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন কবিওয়ালাদের জীবন ও রচনা সংগ্রহ করে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য অবদান রেখে গেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কবি এবং মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি বা বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। D) মধুসূদন দত্ত — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ শেষ আর আধুনিক যুগ শুরু, মাঝখানের সেতু হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এভাবে মনে রাখতে পারো যে দুই যুগের সন্ধিক্ষণে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত অবস্থান করছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিক্ষণের কবি কে, এই প্রশ্নটি বারবার আসে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও একজন অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0