প্রশ্নের বর্ণনা

a বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
b আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
c ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
d ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনি বিজ্ঞান বিষয়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য গ্রন্থ হলো ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব। বাংলা ভাষার ধ্বনিগুলোকে বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাংলা ব্যাকরণে স্থায়ী রূপ দিতে এই গ্রন্থটির ভূমিকা অপরিসীম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ আবদুল হাই ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা ধ্বনি ও উচ্চারণ বিষয়ে অগ্রণী গবেষণা পরিচালনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোফাজ্জল হোসেন স্যারের ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক অন্যান্য গবেষণা প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এটি মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের গবেষণা কর্মের পরবর্তী প্রজন্মের ভাষাতাত্ত্বিক কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। উদাহরণ ২: সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের ওডিবিএল গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষা ও ধ্বনিতত্ত্বের ওপর রচিত একটি বিশ্বমানের তুলনামূলক ঐতিহাসিক ব্যাকরণ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান — এটি মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের মূল গ্রন্থের নাম নয় বরং কাছাকাছি একটি নাম মাত্র। B) আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান — এটি ডক্টর মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের বিখ্যাত গ্রন্থটির সঠিক নাম নির্দেশ করে না। C) ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা — এটি ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থের নাম হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়। D) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব — এটি ডক্টর মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক একমাত্র সঠিক ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের নাম দেখলে বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ও ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা মনে রাখতে হবে। তাঁর ধ্বনি সংক্রান্ত এই অমর গ্রন্থটি বাংলা ভাষা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষাবিজ্ঞানীদের রচিত গ্রন্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। ডক্টর মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসানের যৌথভাবে রচিত 'বাংলা উচ্চারণ ও বানান' গ্রন্থটির নামও মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0