প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬
b ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
c ১৯ মার্চ, ১৯৬
d ৬ মার্চ, ১৯২৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ ১. কেন সঠিক: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও মুক্তচিন্তা চর্চার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উদ্যোগে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - এর মুখপত্র হিসেবে 'শিখা' নামক বিখ্যাত পত্রিকা প্রকাশিত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' এই বিখ্যাত বাণী বহন করত। উদাহরণ ২: আবুল হুসেন ব্যাখ্যা: তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রগতিশীল চিন্তাবিদ ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬ — এই তারিখে নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ — এটি সঠিক সাল ও তারিখ যা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) ১৯ মার্চ, ১৯৬ — এই অপশনে সাল অসম্পূর্ণ ও ভুল রয়েছে যা ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে না। D) ৬ মার্চ, ১৯২৭ — এই তারিখে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তারিখটি মনে রাখতে সাল ও মাসের ধারাবাহিকতা খেয়াল রাখবে। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের সঙ্গে 'শিখা' পত্রিকা এবং 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' গভীরভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার সাল ও এর মুখপত্র প্রায়ই আসে। - প্রতিষ্ঠাতাদের নাম ও তাদের স্লোগান ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0