প্রশ্নের বর্ণনা

a সুফিয়া কামাল
b সেলিনা হোসেন
c শামসুর রাহমান
d জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাহানারা ইমাম ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে কারণ 'একাত্তরের দিনগুলি' নামক বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথাটির রচয়িতা হলেন জাহানারা ইমাম। - এটি মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জন니 জাহানারা ইমামের দিনলিপি বা ডায়েরি আকারে লেখা একটি প্রামাণ্য দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাহানারা ইমাম ছিলেন একজন প্রথিতযশা বাংলাদেশী লেখক, শিক্ষাবিদ ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক। - 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রশীদ হায়দার সম্পাদিত 'স্মৃতি: ১৯৭১' ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যেখানে বিভিন্ন মানুষের একাত্তরের অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ ঠাঁই পেয়েছে। উদাহরণ ২: মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম সম্পাদিত 'রক্তাক্ত মধ্য আগস্ট ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট' ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও পরবর্তী ঐতিহাসিক ঘটনাবলির প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'সাঁঝের মায়া'। B) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'যাপিত জীবন', তবে এই গ্রন্থের লেখক নন। C) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর অনেক কবিতা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রচিত হলেও এই স্মৃতিকথার লেখক তিনি নন। D) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত জাহানারা ইমামের পুত্র রুমিও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, আর তাঁর সেই শোক ও যুদ্ধের দিনগুলোর স্মৃতিই 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থে ফুটে উঠেছে। - মা এবং একাত্তর যুক্ত থাকলে জাহানারা ইমাম নামটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, দিনলিপি বা স্মৃতিকথার রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম এবং তাদের প্রকাশের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0