প্রশ্নের বর্ণনা

a আনোয়ার পাশা
b হুমায়ূন আহমেদ
c আবদুল গাফফার চৌধুরী
d আবু ইসহাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম বাংলা উপন্যাস হলো রাইফেল রোটি আওরাত এবং এর রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আনোয়ার পাশা। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ এবং সাধারণ মানুষের অবর্ণনীয় কষ্টের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আনোয়ার পাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনী তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। - রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ধারায় একটি অনন্য ও ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস জাহান্নাম হইতে বিদায়। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতা ও তৎকালীন বাংলাদেশের সামাজিক অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনোয়ার পাশা — ইনি প্রশ্নোক্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস রাইফেল রোটি আওরাত এর সফল রচয়িতা। B) হুমায়ূন আহমেদ — ইনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জনপ্রিয় উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি রচনা করেছেন। C) আবদুল গাফফার চৌধুরী — ইনি বিখ্যাত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে গানটির গীতিকার এবং সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। D) আবু ইসহাক — ইনি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি এর রচয়িতা যা গ্রামীণ সমাজের ওপর লিখিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাইফেল হাতে আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কলম ধরেছিলেন এই উপন্যাস লেখার মাধ্যমে। - লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজেই এটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও তাদের লেখকদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0