প্রশ্নের বর্ণনা

a বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী
b জাত রাখার কি উপায়
c কলিকাতা কমলালয়
d গাজী মিয়াঁর বস্তানী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাজী মিয়াঁর বস্তানী ১. কেন সঠিক: গাজী মিয়াঁর বস্তানী মীর মশাররফ হোসেনের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত রচনা যা মূলত সামাজিক উপন্যাস বা ব্যাঙ্গাত্মক নকশা হিসেবে পরিচিত। এই গ্রন্থে উনিশ শতকের গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও কুসংস্কার অত্যন্ত নিখুঁত ও হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভাধর ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার রাজহাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং বিষাদ সিন্ধু তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রচিত এবং সমসাময়িক সমাজে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয়, বরং এটি কবি ও ঔপন্যাসিক কাজী ইমদাদুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) জাত রাখার কি উপায় — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো স্বতন্ত্র ও মূল গ্রন্থ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তালিকাভুক্ত নয়। C) কলিকাতা কমলালয় — এটি ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রচনা, মীর মশাররফ হোসেনের নয়। D) গাজী মিয়াঁর বস্তানী — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস বা নকশা। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক বা ব্যাঙ্গাত্মক লেখার মধ্যে গাজী মিয়াঁর বস্তানী সবচেয়ে আলাদা একটি নাম। গাজী মিয়াঁ নামটি মনে রাখলেই মীর মশাররফ হোসেনের এই বিশেষ রচনাটি সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম বা তাঁর রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গাজী মিয়াঁর বস্তানী গ্রন্থটির লেখক সম্পর্কে নিশ্চিত থাকার জন্য তাঁর প্রধান সামাজিক নাটক ও উপন্যাসের তালিকা ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0