প্রশ্নের বর্ণনা

a গো-জীবন
b ইসলামের জয়
c এর উপায় কী
d বসন্তকুমারী নাটক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গো-জীবন ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'গো-জীবন' প্রবন্ধগ্রন্থের মূল উপজীব্য বিষয় হলো তৎকালীন সমাজে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গোহত্যা কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ ও তার সামাজিক প্রভাব। লেখক এই গ্রন্থে উভয় সম্প্রদায়ের মানুষকে ধর্মীয় সংকীর্ণতা পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সদ্ভাব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সমাজের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক। তাঁর কালজয়ী সাহিত্যকর্ম 'বিষাদ সিন্ধু' কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও তাঁর অন্যান্য রচনায় সামাজিক সংস্কার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাণী স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা তিন খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গো-জীবন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মূল বিষয় হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ। B) ইসলামের জয় — এটি মীর মশাররফ হোসেনের প্রধান কোনো গ্রন্থ নয় এবং এর উপজীব্য এটি নয়। C) এর উপায় কী — এটি তাঁর রচিত একটি প্রহসনমূলক নাটক, যার বিষয়বস্তু ভিন্ন। D) বসন্তকুমারী নাটক — এটি মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম প্রকাশিত নাটক, যার উপজীব্য গার্হস্থ্য জীবন ও প্রেমের দ্বন্দ্ব। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের সমাজসংস্কারমূলক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার রচনার মধ্যে 'গো-জীবন' বিশেষভাবে স্মরণীয়। গরুর কোরবানি বা হত্যাকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের বিরোধ মেটাতে তিনি এই গদ্য রচনা করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম নাটক 'বসন্তকুমারী' এবং প্রথম উপন্যাস 'রত্নবতী'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধের নাম প্রায়ই আলাদা করে জিজ্ঞেস করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0