প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাশ্মশান
b শ্মশানভষ্ম
c বিষাদসিন্ধু
d করুক্ষেত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষাদসিন্ধু ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন রচিত বিষাদসিন্ধু একটি বিষাদময় ও বিয়োগান্ত ঐতিহাসিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে কারবালার প্রান্তরে হযরত ইমাম হোসেন ও তাঁর পরিবারের করুণ মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও গদ্যশিল্পী হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। বিষাদসিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু (মহরম পর্ব) ব্যাখ্যা: এটি উপন্যাসের প্রথম অংশ যেখানে ঐতিহাসিক কারবালার যুদ্ধ ও দুঃখজনক ঘটনার পটভূমি রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু (এজিদ বধ পর্ব) ব্যাখ্যা: এটি উপন্যাসের শেষ অংশ যেখানে প্রতিশোধ ও ট্র্যাজিক পরিণতির মাধ্যমে কাহিনীর সমাপ্তি ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাশ্মশান — এটি কায়কোবাদ রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য, কোনো উপন্যাস বা মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয়। B) শ্মশানভষ্ম — এটি কোনো মূল সাহিত্যিক রচনা বা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক বিকল্প নয়। D) করুক্ষেত্র — এটি মূলত কুরুক্ষেত্র হবে এবং এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ হলেও এটি বিয়োগান্ত উপন্যাস হিসেবে বিষাদসিন্ধুর মতো বিখ্যাত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নামের সাথে বিষাদসিন্ধু নাম্বারের মতো মনে রাখতে হবে কারণ এটি তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বিয়োগান্ত রচনা। বিষাদ মানে দুঃখ, আর সিন্ধু মানে সাগর, অর্থাৎ যে উপন্যাসে দুঃখের সাগর বয়ে গেছে তা হলো বিষাদসিন্ধু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা এবং এর খণ্ড সংখ্যা প্রায়ই আসে। সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম ও ধরন ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0