প্রশ্নের বর্ণনা

a মাগুরা
b যশোর
c খুলনা
d সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যশোর কেন সঠিক: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বর্তমান বাংলাদেশের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান তৎকালীন অবিভক্ত যশোর জেলার সাগরদাঁরি গ্রামে অবস্থিত যা বর্তমানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক সীমানায় যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী ও আধুনিক কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে জন্মভূমির কপোতাক্ষ নদ এবং যশোরের প্রাকৃতিক পরিবেশ গভীর আবেগ ও দেশপ্রেমের সাথে বারবার প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় তাঁর বিখ্যাত সনেট কপোতাক্ষ নদ কবিতায় তিনি জন্মস্থান যশোরের নদী ও প্রকৃতির স্মৃতিচারণ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাগুরা — এই জেলায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত জন্মগ্রহণ করেননি কারণ তাঁর পৈতৃক নিবাস বা জন্মস্থান সাগরদাঁরি যশোরে অবস্থিত। B) যশোর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় এবং এখানেই কবির জন্মস্থান সাগরদাঁরি গ্রাম অবস্থিত। C) খুলনা — এই জেলাটি জন্মস্থান হিসেবে ভুল কারণ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের আগে ও পরে তাঁর জন্মস্থান যশোর জেলার অংশ হিসেবে পরিচিত। D) সাতক্ষীরা — এই জেলার কাছাকাছি কপোতাক্ষ নদ প্রবাহিত হলেও তাঁর মূল জন্মস্থানটি ঐতিহাসিকভাবে যশোর জেলার সাগরদাঁরি গ্রামেই গণ্য করা হয়। মনে রাখার টিপস: মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান মনে রাখতে কবির কপোতাক্ষ নদ কবিতার সাথে যশোর জেলার সাগরদাঁরি গ্রাম একসঙ্গে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। কবির নামের সাথে যশোর জেলার সাগরদাঁরি এবং কপোতাক্ষ নদ এই তিনটি বিষয় চিরকাল ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0