প্রশ্নের বর্ণনা

a চৈতন্যচরিতামৃত
b বৈষ্ণব পদাবলি
c শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
d শ্রীকৃষ্ণ বিজয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি সর্বজনস্বীকৃত এবং এর মাধ্যমে মধ্যযুগের সূচনা ঘটে। - বসুমতী সাহিত্য মন্দির থেকে ১৯০৯ সালে বরাবাজারের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে এটি আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত কাব্যনাট্যধর্মী রচনা। - এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন এবং এতে মোট তেরোটি খণ্ড রয়েছে যা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার বিভিন্ন পর্যায় ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও প্রথম প্রাপ্ত কাব্য। উদাহরণ ২: বড়ু চণ্ডীদাসের শূন্যপুরাণ বা অন্যান্য পদাবলি। ব্যাখ্যা: এগুলোও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও ভাষার বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উপাদান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈতন্যচরিতামৃত — এটি মধ্যযুগের শেষভাগের কৃষ্ণদাস কবিরাজ কর্তৃক রচিত শ্রীচৈতন্যের জীবনীমূলক সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ, আদি নিদর্শন নয়। B) বৈষ্ণব পদাবলি — এটি মধ্যযুগের একটি অন্যতম সমৃদ্ধ ধারা হলেও এর সূচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অনেক পরে ঘটেছিল। D) শ্রীকৃষ্ণ বিজয় — এটি যোরাজ মল্লিক বা মালধর বসু রচিত মধ্যযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্য হলেও এটি প্রথম নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন দিয়ে মধ্যযুগের শুরু। - আবিষ্কার সাল এবং লেখকের নাম মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলা থেকে। - এই ধরনের প্রশ্নে সাহিত্যের যুগ বিভাগ এবং প্রথম বা আদি নিদর্শনগুলো আলাদা করে ছক আকারে মনে রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0