প্রশ্নের বর্ণনা

a শ্রীচৈতন্যদেব
b শ্রীকৃষ্ণ
c আদিনাথ
d মনোহর দাশ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদাবলি এবং ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনে শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি ও গভীর। তাঁের জীবনাদর্শ ও প্রেমের ধর্ম বাংলা সাহিত্যকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং অসংখ্য পদকর্তা তাঁর অনুসারী হয়ে সাহিত্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীচৈতন্যদেব (১৪৮৬-১৫৩৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় সংস্কারক এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক। তাঁর প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির এক স্বর্ণযুগ সূচিত হয় এবং জীবনী সাহিত্য রচনার ধারা উন্মোচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদাবলি। ব্যাখ্যা: শ্রীচৈতন্যদেবের ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পরবর্তী কবিরা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে পদ রচনা করেন। উদাহরণ ২: কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত। ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যটি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শন নিয়ে রচিত মধ্যযুগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্যদেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধ্যযুগের ধর্মান্দোলন ও সাহিত্যে তাঁর প্রত্যক্ষ প্রভাব অপরিসীম ছিল। B) শ্রীকৃষ্ণ — শ্রীকৃষ্ণ বৈষ্ণব সাহিত্যের উপজীব্য বা চরিত্র হলেও তিনি কোনো ধর্মপ্রচারক বা ঐতিহাসিক মানুষ ছিলেন না। C) আদিনাথ — আদিনাথ নাথধর্মের সঙ্গে যুক্ত হলেও মধ্যযুগের মূল বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাব শ্রীচৈতন্যদেবের মতো ব্যাপক ছিল না। D) মনোহর দাশ — মনোহর দাশ মধ্যযুগের একজন সাধারণ পদকর্তা বা লেখক ছিলেন, কোনো যুগস্রষ্টা ধর্মপ্রচারক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের সমাজ ও সাহিত্যকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব। বৈষ্ণব পদাবলি বা ধর্মপ্রচারক বললে চোখ বন্ধ করে শ্রীচৈতন্যদেবের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে শ্রীচৈতন্যদেবকে কেন্দ্র করে রচিত জীবনী সাহিত্য ও পদাবলি। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈষ্ণব আন্দোলন সম্পর্কিত প্রশ্নে শ্রীচৈতন্যদেব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0