প্রশ্নের বর্ণনা

a জয়নন্দী
b বড়ু চন্ডীদাস
c গোবিন্দ দাস
d জ্ঞান দাস
0 42 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়নন্দী ১. কেন সঠিক: - জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি প্রাচীন যুগের বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো কবি নন বা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই নামে কোনো স্বীকৃত মধ্যযুগের কবি নেই। - বাংলা সাহিত্যের কালকাল অনুযায়ী প্রাচীন যুগ সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী এবং মধ্য যুগ ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং এ যুগ শ্রীকৃষ্ণবিজয়ের মতো পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যে সমৃদ্ধ। - গোবিন্দ দাস ও জ্ঞান দাস দুজনেই মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অত্যন্ত প্রখ্যাত ও গুরুত্বপূর্ণ দুইজন পদকর্তা কবি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের অত্যন্ত মূল্যবান আবিষ্কার ও সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি মধ্যযুগের পদাবলীর কবি। ব্যাখ্যা: এরা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদ রচনা করে বিশেষ স্থান দখল করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নন্দী — ইনি মধ্যযুগের কোনো স্বীকৃত বা পরিচিত কবি নন, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা ও মধ্যযুগের কবি। C) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কবি। D) জ্ঞান দাস — ইনিও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদকর্তাদের মনে রাখতে কবি গোবিন্দ দাস ও জ্ঞান দাসের নাম মনে রাখতে হবে। - বড়ু চণ্ডীদাস নামটিও মধ্যযুগের শুরুর দিকের নিদর্শন হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের প্রারম্ভিক সময় ও পদাবলী সাহিত্যের কবিদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনগুলোর সাহিত্যিক পরিচিতি ভালোভাবে যাচাই করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0