প্রশ্নের বর্ণনা

a বিজয় গুপ্ত
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d কানাহরি দত্ত
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কেন সঠিক: ১. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতাব্দীতে তার বিখ্যাত অন্নদামমঙ্গল কাব্য রচনা করেন। ২. এই অন্নদামমঙ্গল কাব্যটিই মঙ্গলকাব্যের ধারার সর্বশেষ সার্থক ও ঐতিহাসিক রচনা হিসেবে স্বীকৃত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য যা মূলত দেবদেবীর মহিমা প্রচারের জন্য রচিত হতো। ২. অষ্টাদশ শতাব্দীতে এসে সমাজ ও সাহিত্যের পরিবর্তনের সাথে সাথে মঙ্গলকাব্যের ধারাটি ক্রমান্বয়ে তার আবেদন হারাতে শুরু করে। ৩. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামমঙ্গল কাব্য রচনার মধ্য দিয়েই মধ্যযুগের এই দীর্ঘ মঙ্গলকাব্য রচনার ধারার অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় গুপ্ত — তিনি পদ্মপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রখ্যাত ও প্রাচীন কবি এবং তিনি পঞ্চদশ শতকের মানুষ। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি এবং ষোড়শ শতকের মধ্যভাগে তার সাহিত্যকর্মের জন্য পরিচিত। D) কানাহরি দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন কবি এবং সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে তার সাহিত্যকর্ম সীমাবদ্ধ ছিল। *(উল্লেখ্য, মূল প্রশ্নের অপশন বিন্যাস অনুযায়ী সঠিক উত্তর B হওয়ায় ভুল অপশনগুলোর তালিকায় B এর পরিবর্তে অন্য একটি অতিরিক্ত কবি হিসেবে রামপ্রসাদ সেন ধরা যেতে পারে, তবে প্রমিত নিয়মে বাকি তিনটি ভুল অপশনের সঠিক ঐতিহাসিক সময়কাল তুলে ধরা হলো।)* মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি কে তা মনে রাখতে ভারতচন্দ্র নামটির সাথে অন্নদামমঙ্গল এবং অষ্টাদশ শতাব্দী এই তথ্যগুলো এক সাথে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0