প্রশ্নের বর্ণনা

a সুকুমার সেন
b সুকুমারী ভট্টাচার্য
c নিহার রঞ্জন রায
d সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
0 45 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ গ্রন্থ। - প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক ব্যাকরণ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। - এতে বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও ঐতিহাসিক বিবর্তন অত্যন্ত মুনশিয়ানার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অন্য একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ওরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎসের ওপর রচিত তাঁর বিশ্বখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থ হলো বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার ইতিহাস ও ব্যাকরণ অধ্যয়নের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) সুকুমারী ভট্টাচার্য — তিনি একজন প্রখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য ও পুরাণ গবেষক, এই ব্যাকরণ গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিহার রঞ্জন রায — তিনি একজন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও গবেষক এবং বাঙালির ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতা। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুনীতিকুমার মানেই সুনীতি এবং ভাষারীতি বা ব্যাকরণ। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই গ্রন্থ এবং এর প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0