প্রশ্নের বর্ণনা

a বোধেদয়
b ভ্রান্তিবিলাস
c ব্রজবিলাস
d জীবনচরিত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রজবিলাস ১. কেন সঠিক: - বেনামে বা ছদ্মনামে রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ হলো ব্রজবিলাস। - তৎকালীন সমাজের রক্ষণশীল ও গোঁড়া ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের পন্ডিতম্মন্যতা এবং গোঁড়ামির তীব্র সমালোচনা করার জন্য তিনি নিজের নাম গোপন রেখে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনিশ শতকের বাংলা প্রসংবাদপত্র, শিক্ষা বিস্তার ও গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপকার এবং সমাজসংস্কারক। - তার মূল সাহিত্যকর্মের বাইরে সমাজ সংস্কার ও সমকালীন বিতর্ক নিয়ে তিনি কয়েকটি প্রহসন ও প্যামফ্লেট জাতীয় গ্রন্থ বেনামে রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নপরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বেনামে রচিত ব্যঙ্গাত্মক রচনা যেখানে সমকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের অনূদিত একটি নৈতিক শিক্ষামূলক গ্রন্থ যা শিশুদের উপযোগী করে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোধেদয় — এটি বিদ্যাসাগরের সনামে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক পাঠ্যপুস্তক, যা বেনামে রচিত নয়। B) ভ্রান্তিবিলাস — এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের অবলম্বনে বিদ্যাসাগরের নিজের নামে রচিত একটি অনুবাদ গ্রন্থ। D) জীবনচরিত — এটি প্লাম্ব এর বায়োগ্রাফিজ অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নিজের নামেই রচনা ও প্রকাশ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের ব্যঙ্গাত্মক ও বেনামি লেখার মধ্যে ব্রজবিলাস এবং রত্নপরীক্ষা সবচেয়ে বেশি পরিচিত। - গোঁড়ামি ও সমাজের ত্রুটি নিয়ে লেখা বলেই তিনি নিজের নাম প্রকাশ করেননি, এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে বিদ্যাসাগরের বেনামি বা ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ কোনটি, তাই ব্রজবিলাস নামটি ভালোভাবে মনে রাখবে। - অনুবাদ গ্রন্থ এবং মৌলিক বা বেনামি গ্রন্থের পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0