প্রশ্নের বর্ণনা

a স্বর্ণকুমারী দেবীকে
b মানকুমারী বসুকে
c কাদম্বরী দেবীকে
d মৃণালিনী দেবীকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাদম্বরী দেবীকে ১. কেন সঠিক: বিহারীলাল চক্রবর্তীর ‘সাধের আসন’ একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ এবং তিনি এটি কাদম্বরী দেবীকে উৎসর্গ করেছিলেন। কাদম্বরী দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদামশাই ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী, যিনি সেকালের সাহিত্যচর্চায় বিশেষ উৎসাহ দিতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি রবীন্দ্রপূর্ব যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর ‘সাধের আসন’ কাব্যখানি বাংলা কাব্যসাহিত্যে ভাবগত গভীরতা এবং গীতিকবিতার অনন্য রূপের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহারীলাল চক্রবর্তীর ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যটি বাংলা গীতি কবিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ সেকালের অনেক তরুণ কবিকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অনেক রচনা ও চিন্তা বিহারীলাল চক্রবর্তীর কবিতার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত বলে স্বীকার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা কবিতায় প্রথম ব্যক্তিচেতনা ও অন্তর্মুখী গীতিপ্রবণতার সার্থক সূচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বর্ণকুমারী দেবীকে — তিনি নিজেই একজন প্রখ্যাত লেখিকা ও সুরকার ছিলেন এবং বিহারীলাল তাঁকে এই কাব্য উৎসর্গ করেননি। B) মানকুমারী বসুকে — তিনি উনিশ শতকের শেষভাগের একজন খ্যাতিমান কবি হলেও এই কাব্যের উৎসর্গপাত্রী ছিলেন না। D) মৃণালিনী দেবীকে — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্নী ছিলেন এবং বিহারীলাল চক্রবর্তীর সাহিত্যকর্মের উৎসর্গীকরণের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিহারীলালের ‘সাধ’ ছিল কাদম্বরীর প্রতি উৎসর্গ করার মতো, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সাধের আসন কাদম্বরী দেবীর জন্য নির্ধারিত। সাহিত্যিক উৎসর্গ মনে রাখার জন্য কবির নামের সঙ্গে প্রধান পৃষ্ঠপোষক বা শ্রদ্ধেয় নারীর নাম নোট করে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিহারেলাল চক্রবর্তীকে গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলা হয় এবং এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। কোন কবি কাকে তাঁর কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেছেন, তা সাহিত্য অংশের জন্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0