প্রশ্নের বর্ণনা

a শামসুর রাহমান
b মীর মশাররফ হোসেন
c আব্দুল হাকিম
d জাফর ইকবাল
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: বিষাদ-সিন্ধু বাংলা সাহিত্যের একটি অমর ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং মহাকাব্যিক গদ্যরচনা। মীর মশাররফ হোসেন কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলা গদ্যে এই অনন্য সৃষ্টি সম্পন্ন করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও গদ্যশিল্পী হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। বিষাদ-সিন্ধু গ্রন্থটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লেখা। উদাহরণ ২: গাজী মিঞার বস্তানী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি জনপ্রিয় আত্মজীবনীমূলক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত প্রধান কবি ও প্রাবন্ধিক। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিষাদ-সিন্ধু গ্রন্থের রচয়িতা। C) আব্দুল হাকিম — ইনি মধ্যযুগের একজন স্বনামধন্য বাঙালি কবি যিনি নূরনামা কাব্য রচনা করেছেন। D) জাফর ইকبال — ইনি সমসাময়িককালের একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনির লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের মহাকাব্যিক গদ্যরূপ বিষাদ-সিন্ধু মনে রাখতে কারবালা ও মহরম শব্দ দুটি মনে রাখুন। মুসলিম সাহিত্যিকদের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে এটি সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত ও পরীক্ষামুখী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষাদ-সিন্ধু কোন জাতীয় রচনা বা এর খণ্ড কয়টি তা প্রায়ই আসে। মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কুষ্টিয়া জেলার রাজবাড়ী অঞ্চলে যা সাহিত্যিক জীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0