প্রশ্নের বর্ণনা

a 1913
b 1912
c 1911
d 1931
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে এই সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। এই অনুবাদের নাম ছিল সং অফারিংস বা Song Offerings যার ভূমিকা লিখেছিলেন প্রখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটস। ব্যাখ্যা: তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখে নোবেল প্রাপ্তিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। উদাহরণ ২: সং অফারিংস। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ যার জন্য তিনি মূলত নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। B) ১৯১২ — এই সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ শুরু হয় কিন্তু নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। C) ১৯১১ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বিখ্যাত জনগণমন অধিনায়ক জয় হে গানটি রচনা করেন নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। D) ১৯৩১ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এটি ভুল অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পান ১৩ সংখ্যাটি মনে রাখলেই ১৯১৩ সাল সহজে মনে রাখা যায়। গীতাঞ্জলির ইংরেজি রূপের মাধ্যমেই তিনি এই বিশ্বজয় করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি ও এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান যা প্রায় সব প্রতিযোগিতায় আসে। তার নোবেল প্রাপ্তির গ্রন্থ ও সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0